মোবাইল ব্রাউজারে বেটিং করা যায়, কিন্তু অ্যাপের অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ আলাদা। bet jilli অ্যাপ ব্যবহার করলে বুঝতে পারবেন কেন লক্ষাধিক বাংলাদেশি ব্যবহারকারী ব্রাউজার ছেড়ে অ্যাপে এসেছেন।
প্রথমত, অ্যাপটি ব্রাউজারের চেয়ে ৩ গুণ দ্রুত লোড হয়। লাইভ ম্যাচ চলাকালে প্রতিটি সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ – অডস পরিবর্তনের সাথে সাথে বাজি ধরতে হয়। ব্রাউজারে পেজ রিফ্রেশ লাগে, অ্যাপে সব রিয়েলটাইমে আপডেট হয়।
দ্বিতীয়ত, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা Face ID দিয়ে লগইন করার সুবিধা শুধু অ্যাপেই আছে। পাসওয়ার্ড মনে রাখার ঝামেলা নেই, বারবার লগইন করতে হয় না। একটুতেই ঢুকে পড়া যায় এবং সরাসরি ফেভারিট গেমে যাওয়া যায়।
অ্যাপে পুশ নোটিফিকেশন কেন দরকার?
কল্পনা করুন, আপনি কাজে ব্যস্ত আছেন কিন্তু একটু পরেই ক্রিকেট ম্যাচ শুরু হবে। bet jilli অ্যাপের পুশ নোটিফিকেশন আপনাকে সময়মতো মনে করিয়ে দেবে। ম্যাচ শুরুর ১৫ মিনিট আগে একটি নোটিফিকেশন আসবে, যাতে আপনি সময়মতো বাজি ধরতে পারেন।
এছাড়া বিশেষ অফার বা প্রোমো কোড আসলেও নোটিফিকেশন পাবেন। অনেক সময় bet jilli অ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য এক্সক্লুসিভ বোনাস ঘোষণা করা হয় – অ্যাপ না থাকলে এই সুযোগ মিস হয়ে যায়।
বিকাশ ও নগদে পেমেন্ট অ্যাপে আরও সহজ
bet jilli অ্যাপে বিকাশ ও নগদ পেমেন্ট সরাসরি ইন্টিগ্রেটেড। মানে আলাদা করে বিকাশ অ্যাপ খুলতে হবে না। bet jilli অ্যাপের মধ্যেই পেমেন্ট উইন্ডো আসবে, পিন দিলেই ডিপোজিট হয়ে যাবে। এটি মোবাইল ব্রাউজারে এভাবে কাজ করে না।
উইথড্রয়ালও একইভাবে সহজ। অ্যাপ থেকে উইথড্র রিকোয়েস্ট দিলে মাত্র ২ মিনিটেই বিকাশ বা নগদে টাকা চলে আসে। পুরো প্রক্রিয়া অ্যাপের মধ্যেই থাকে – বাইরে যেতে হয় না।
লাইভ স্ট্রিমিং অ্যাপে কেমন?
অ্যাপে লাইভ স্ট্রিমিং দেখার সুবিধা বেশ ভালো। স্ক্রিন অর্ধেক করে এক পাশে স্ট্রিমিং দেখতে পারবেন, অন্য পাশে বেটিং স্লিপ ম্যানেজ করতে পারবেন। এই মাল্টিটাস্কিং সুবিধা ব্রাউজারে পাওয়া অসম্ভব।
৩G কানেকশনেও লাইভ স্ট্রিম মোটামুটি মসৃণ চলে। অ্যাপটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট স্পিড অনুযায়ী ভিডিও কোয়ালিটি সামঞ্জস্য করে নেয়, তাই বাফারিং কম হয়।